সিরিয়ার সেই শিশু কি সত্যি আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে?

শিশুটি কি তবে আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে? ইউক্রেনের কান্না আজ পুরো পৃথিবী কে ভারী করছে। কিন্তু সিরিয়া, ইরাক, কাশ্মীর, ফিলিস্তানের কান্না গুলো বিশ্বের কারো চোখে পড়েনি। সে কান্না গুলো আর ইউক্রেনের কান্না গুলোর মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটি সভ্য পৃথিবীতে ইউক্রেনের কান্না আজ পুরো পৃথিবী দেখছে কিন্তু সিরিয়ার সেই ছোট্ট শিশুটি যে বলেছিল আমি আল্লাহকে সব বলে দেবো, তার কান্না কেউ দেখেনি।

আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেবো,শিশুটি কি তবে আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে?,আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেব,আমি আল্লাহকে সব বলে দিব,মনে আছে সিরিয়ার সেই ছোট শিশুর কথা!,সিরিয়ার সেই শিশুটির প্রতিশোধ আল্লাহ নিজেই নিলেন করনা দিয়ে,আমি আল্লাহকে সব দেব,সিরিয়ায় নির্যাতিত শিশু,আমি ঈশ্বরকে সব বলে দিবো,ঈশ্বরকে সব বলে দেবো,কবিতা-আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেবো অভ্র ভট্টাচার্য,আল্লাহকে,দেখুন ৭-৮ বছরের ছোট শিশুর কি কথা,আল্লাহ,নির্যাতিত শিশু,পৃথিবী ফেরত চেয়েছেন মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ,শিশু,

ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধে পুরো পৃথিবী আজ দ্বিধা বিভক্ত। 

আজ রাশিয়া যখন ইউক্রেনের আকাশে বোমা দিয়ে হামলা করছে তখন ইউক্রেনবাশির কান্না দেখছে পুরো পৃথিবী। অথছ সিরিয়ার পক্ষে যখন এই পুতিন আসাদের পক্ষে হামলা করেছিল তখন কেউ দেখে নি। যখন ইরাকে হামলা করেছে তখন বিশ্ব দেখিনি। যখন ফিলিস্তিনে হামলা চলে তখনও কেউ দেখে না। কাশ্মিরের ভাই-বোনদের তো কোনো খবরই নেই। এইটা কেমন সভ্য পৃথিবী? যে পৃথিবীতে ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের এতো বিভাজন? 

সিরিয়ার ৩ বছরের এক যোদ্ধাহত শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগ মুহুর্তে বলল, আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো। শিশুটির রক্তমাখা ছবিটির দিকে তাকালে বুঝে নেওয়া যায়, সে আল্লাহর কাছে কি বলেছিল। 

আমি কি জানি সেই শিশুটি কি বলেছিল তার মালিকের কাছে?

সে কান্না নিয়ে বিচার দিয়েছিল মহান বিচারকের কাছে। কে কে সেই কাঠগড়ায় দাঁড়াবে?  সৈরাচার ক্ষমতালোভী মুসলিম নামধারী আসাদ নাকি তাকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্যকারি রাশিয়ার পুতিন? নাকি শিয়া ইরানের রুহানি? নাকি যুদ্ধবাজ আমেরিকা? কাঠগড়ায় কি থাকবে আরবের ক্ষমতালোভী রাজা বাদশাহরা? যারা সব দেখেও নিরব থাকে। সেই কাঠগড়ায় কি আমি-আপনি নেই?

পুরো বিশ্ব মুসলিম আজ দ্বিধা বিভক্ত। কিন্তু কেন? এর উত্তর কি আছে আমার,আপনার কাছে?

২৫০কোটি মুসলমান আছে, ৫৭ টি মুসলিম দেশ আছে স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে। কিন্তু একজন ওমর (রাঃ) বা হামজা (রাঃ) নেই। নেই একজন খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

কেবল একজন এরদোয়ান লড়ছে সেই শিশুটির বিচার চাইতে। কিন্তু শত শত দানবের সামনে একজন এরদোয়ান কি-ই বা করতে পারেন? মুসলিম বিশ্বাসঘাতকরাতো সেই এরদোয়ানের মস্তক কেড়ে নেবার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত দানবের হাত ধরে।

সিরিয়ার সেই ছোট্ট শিশুটি হয়ত আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে। কিন্তু কাদের বিরুদ্ধে বলেছে? কারা রয়েছে সেই কাঠগড়ায়? কাদের বিচার শুরু করবেন আল্লাহ? নাকি সেই ছোট্ট শিশুটির বিচারের জন্যে আজ পুরো ইউরোপে জলছে আগুন যারা একসময় মুসলমানদের উপর গুলি চালাতো। আজ তারা নিজেরা নিজেদেরকেই মারছে।

আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেবো,শিশুটি কি তবে আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে?,আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেব,আমি আল্লাহকে সব বলে দিব,মনে আছে সিরিয়ার সেই ছোট শিশুর কথা!,সিরিয়ার সেই শিশুটির প্রতিশোধ আল্লাহ নিজেই নিলেন করনা দিয়ে,আমি আল্লাহকে সব দেব,সিরিয়ায় নির্যাতিত শিশু,আমি ঈশ্বরকে সব বলে দিবো,ঈশ্বরকে সব বলে দেবো,কবিতা-আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেবো অভ্র ভট্টাচার্য,আল্লাহকে,দেখুন ৭-৮ বছরের ছোট শিশুর কি কথা,আল্লাহ,নির্যাতিত শিশু,পৃথিবী ফেরত চেয়েছেন মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ,শিশু,

সভ্যতার দ্বান্দ্বিক যুদ্ধ চলছে। এ দন্দ্ব বিশ্বাসের, এ দ্বন্দ্ব আদর্শের। একটি আদর্শকে প্রত্যাক্ষান করতে হয় আরেকটি আদর্শ দিয়ে। জোরের যুক্তি দিয়ে নয়, যুক্তির  জোর দিয়ে, ক্ষমতার শক্তির জোর দিয়ে আদর্শকে মোকাবেলা করতে গেলেই দ্বন্দ্ব তীব্র হয়ে ওঠে। সেই দ্বান্দ্বিক যুদ্ধে আদর্শবানরা কখনো কখনো পরাজিত হলেও তাদের বিশ্বাসের পরাজয় ঘটে না। বিশ্বাসী তো সেই  যে প্রয়োজনে জীবন দিয়েও  প্রমাণ করতে পারে আমরা বিশ্বাসের প্রতি অবিচল।

আরও পড়ুনঃ

সিরিয়ার সেই শিশুটি সভ্যতার যুদ্ধ, দ্বন্দ্ব, আদর্শ এইগুলো হয়ত পরিস্কারভাবে বুঝতে পারেনি। কিন্তু তার বিশ্বাস কতো প্রবল ছিল যে বলল- আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো। সে নিশ্চিত যে আল্লাহর কাছে ফিরে যাচ্ছে শুধু তাই নয় সে আল্লাহর কাছে নালিশ করবে। যারা তাকে মেরেছে শুধুমাত্র বিশ্বাসী হওয়ার কারনে যারা তাকে রক্তাক্ত করেছে, যারা তার আদর্শকে আদর্শ দিয়ে প্রতিহত করতে না পেরে বুলেট ছুড়ে মেরেছে তাদের বিরুদ্ধে সে আল্লাহর কাছে নালিশ করবে এছাড়া আর কীইবা করার আছে এই ছোট্ট শিশুটিরপৃথিবীর কারো কাছে সে অভিযোগ করে নি। কারো কাছে সে তাকে মারার বিচার চায় নি। সে জানে এবং সবাইকে জানিয়ে দিয়ে গেলো এই আদর্শহীন, একচোখা, বিবেকহীন বিশ্বের কাছে বিশ্বাসীদের কিছু চাইতে নেই। এ এমনই এক বিশ্ব  যেখানে মানবাধিকারের সাথেই নির্মিত হয় কিছু মানুষকে অমানুষ বিবেচনা করে। এ এমনই এক বিশ্ব যেখানে শক্তিধররা ক্ষমতাবানরা যা বলবে তাই সত্য৷ 

যখন ফিলিস্তিনের যুবকরা তার মাতৃভুমি রক্ষায় এক টুকরো পাথর হাতে তুলে নেয় দানবের বিরুদ্ধে তখন তারা হয় সন্ত্রাসী, যখন কাশ্মিরি জনগনরা স্বাধীনতা চায় তখন তারা হয় জঙ্গি। যখন রোহিঙ্গার মুসলমানরা বাঁচতে চায় তখন তাদের হত্যা করে দেশান্তরীত করা হয়। যখন আফগানের মানুষ এক কালিমার পতাকা চায় তখন তাদের উপর চলে আগ্রাসন। অথচ আজ পুরো পৃথিবী একত্র হয়েছে এক ইউক্রেনের পক্ষে। 

ইউক্রেনের ঘরে ঘরে বোমা বানিয়ে সে দেশের জনগন হয় দেশপ্রেমিক আর কাশ্মির, ফিলিস্তিনের যুবকরা পাথর ছুঁড়ে হয় সন্ত্রাসী অথবা জঙ্গী। আর যারা দানবিয় অস্ত্র ব্যবহার করে সেই যুবকদের বুক বুলেটে ঝাঁজরা করে দেয় তারা হয় শান্তিকামী বিশ্বের সভ্যতার মালিক। 

এ কেমন সভ্যতা পৃথিবীর? এ কেমন পৃথিবীতে বাস করছি আমরা?

পৃথিবীর সেই মোড়লরা আমাদের সভ্যতা শিখাবে যারা মানবতাকে লুন্ঠিত করছে, যারা মানুষকে রক্তাক্ত করছে, যারা মানুষের পোড়া গন্ধে নিজেদের সাজাচ্ছেন।

কালো এবং সাদার তফাৎ ঘোচাতে নেলসন ম্যান্ডেলা হন বিশ্ব বিখ্যাত। আর দেড় হাজার বছর আগে মুহাম্মদ (সাঃ) দাশ ও কালো বেলাল (রাঃ) কে প্রথম মোয়াজ্জিন বানিয়ে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েও তিনি তাদের কাছে কেবল মুসলমানদের মুহাম্মদ। যে রাসুল (সাঃ) পৃথিবীতে শান্তির বার্তা দিয়ে গেছে আজ তার অনুসারীরা কেবল রাজত্বের জন্যে লড়ছে নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে। আজ সৌদি, ইরান, মিশর, আরব-আমিরাত একে অপরকে মারছে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে প্রভাব বিস্তারে। আজ মুসলমানরা মুশরিক কাফেরদের বন্ধু সেজে মুসলমানদের হত্যা করছে। এ কেমন মুহাম্মদ (সাঃ) এর অনুসারী তারা? আজ পুরো পৃথিবী অবিশ্বাসীদের দূষিত নিঃশ্বাসে পড়ছে। আজ কাফের, মুশরিক এবং নামধারী মুসলিমরা সভ্যতাকে বারুদ আর অস্ত্রের বাজার তৈরি করছে। আজ মস্ত দের লড়াই এ মানবতা কাদছে। আজ আফগানের রহিমা, ইরাকের যুবা, কাশ্মিরের আহমদ, সিরিয়ার তিন বছরের বেহেস্তের ফুল, ইয়ামেনের মুহাম্মদ আমাদের প্রশ্ন করে তোমরা কি বিচার করেছ? আমরা নিরব। উত্তরহীন আমরা অপরাধী। আমরা কাঠগড়ায় মাথানিচু করে দাঁড়িয়ে থাকি। ইয়ামেন কোথায় দাঁড়িয়ে বিশ্ববাসী দেখছো না? কেন সৌদি, ইরান শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বে মানুষ মারছে? ইয়ামেনের কান্নাগুলো ইউক্রেনের কান্নার মত বিশ্বের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেন? 

আজ সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, রোহিঙ্গা, কাশ্মীরের কান্নাগুলো বিশ্ববাসীর চোখে পড়ছে না। এ কেমন সভ্যতা? ইউক্রেনের কান্নাগুলো বাতাসে ভাসে অথচ মুসলমানদের কান্নাগুলো নিরবে হারিয়ে যায়। মুসলমানদের কান্নাগুলোর কোনো প্রতিবাদ প্রতিশোধ নেই এটাই বুঝি সভ্যতা। 

একজন বিশ্বাসী মানুষ প্রশ্নহীন ভাবে মেনে চলতে চাইবে আসমানী বানি কে। তার কাছে কোরআনকে বিশ্বাস করার অর্থ হলো কোরআনের নির্দেশিত পথে জীবনকে পরিচালনা করা, কোরআনের বিধান সমুহ জানা এবং সেগুলো মেনে চলা। এখন কোরআন যদি সমাজ বদলের কথা বলে, কোরআন যদি আল্লাহর সার্বভৌমত্বের কথা বলে তাহলে তো সেই কাজটি তাকে করতে হবে। যদিও কেউ মনে করে কোরআন সেকেলে কিংবা জঙ্গি কিতাব।

পুরো পৃথিবী আজ নির্যাতনের কারখানা। আর বিশ্বাসীরা হল সেই কারখানার রক্তাক্ত শ্রমিক। কতো হাজার লক্ষ নির্যাতিতরা বলবে - আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো?

তোমরা দেখোনি সিরিয়ার সেই ছোট্ট শিশুটি আজ আল্লাহকে বলে দিয়েছে বলে পুরো পৃথিবী করোনায় ভেঙ্গে পড়েছে। কোটি কোটি মানুষ এক পলকে চিরতরে হারিয়ে গেছে। স্থবির হয়ে গেছে পুরো বিশ্ব যন্ত্র, বাচার জন্য একটি খোলা উঠোন নেই যেখানে যমদূত পৌঁছায়নি। 

তোমরা হাজার লক্ষ কোটি টাকায় মুসলিম দেশগুলো জ্বালিয়ে দাও। আর আল্লাহ অবিশ্বাস এক ভাইরাস দিয়ে মৃত্যুর মিছিল নামিয়ে দিয়েছে পুরো পৃথিবীজুড়ে। 

গণ মৃত্যু শুধু ইরাকে আসবে, সিরিয়ায় আসবে, কাশ্মিরে আসবে, কিংবা আফগানে আসবে অথবা ইয়ামেনে আসবে এমনটি ভেবেছ তোমরা? কিন্তু এক ভাইরাস দিয়ে আমার আল্লাহ পুরো পৃথিবী কে ফিলিস্তিন, সিরিয়া, আফগান, কাশ্মীর, রোহিঙ্গা, ইয়ামেন, ইরাক বানিয়ে দিয়েছে। এতোকিছুর পরেও তবুও বদলায় নি পৃথিবী। তবুও রকেটের আঘাতে বৃদ্ধ বাবার চোখের মনির লাশ ঘরে ফিরে আসে। বিশ্বের প্রায় ৮০০ কোটি মানুষের মৃত্যুর আতংক এখনো করোনা। 

ওই শিশুটির ফরিয়াদ ছিল হয়ত ৮০০ কোটি মানুষের বিরুদ্ধেই। এইটা ঠিক যে ৮০০ কোটির সবাই হয়ত অপরাধী নয়। কেউ কেউ অপরাধ করেছে আর বাকিরা নিরবে অপরাধ সয়েছে। 

যে জমিন ফুলের সৌরভে সুরোভিত ছিল সে জমিনকে ওরা বারুদের গন্ধে মানুষের নিঃশ্বাস কেড়ে নিচ্ছে। আজ আকাশে পাখির বদলে যুদ্ধ বিমান ওরে।

হে জমিন আসমানের মালিক, আরেকটা নুহ (আঃ) এর নৌকা পাঠাও। তুলে নাও বিশ্বাসীদের, ধ্বংস কর নষ্ট আত্মা গুলো। আবার পৃথিবী কে ধুয়ে দাও তোমার পবিত্র পানিতে। আবার সবুজ ঘাসে পবিত্র শিশির বিন্দু জমুক। যে জমিনে আর বারুদের গন্ধ থাকবে না। থাকবে না মৃত্যুর কান্না। যে জমিনে আর কেউ বলবে না - আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো। 

আজ পুরো পৃথিবী ইউক্রেনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। সিরিয়ার পক্ষে কেউ ছিল? ইরাকের পক্ষে? আফগানের পক্ষে? রোহিঙ্গার পক্ষে? ফিলিস্তিনের পক্ষে?কাশ্মিরের পক্ষে? কিংবা ইয়ামেনের পক্ষে? 

আজ যখন ইউক্রেনে বোমা বর্ষন হচ্ছে তখন ইউক্রেনবাসিকে সাদরে গ্রহণ করছে ইউরোপীয় রাষ্ট্র গুলো। কিন্তু সিরিয়ার মানুষ গুলোকে কেউ গ্রহণ করে নি তুর্কি ছাড়া। আজ তুর্কিতে লক্ষ লক্ষ শরণার্থী কারন তারা মুসলমান। আর ইউক্রেনের মানুষকে দুহাতে গ্রহণ করছে পুরো ইউরোপ। যখন ইয়ামেনে বোমা বর্ষণ হয়, যখন কাশ্মীর কিংবা ফিলিস্তিনে বোমা বর্ষণ হয় তখন তাদের জাতি ভাইরা কোথায় থাকে? তারা কি মস্ত রক্ষার জন্যে শত্রুদের সাথে আপোষ করেই যাবে? প্রশ্নটি রয়েই গেল।

পরিশেষে বলতে চাই

আর কাউকে যেন সিরিয়ার সেই শিশুর মত বলতে না হয়ঃ আমি  আল্লাহকে সব বলে দিব। পৃথিবীর প্রতিটি মজলুমের পক্ষে আমরা। আফ্রিকার কালো মানুষের পক্ষে আমরা। আমরা ইয়ামেনের পক্ষে, সিরিয়ার পক্ষে, কাশ্মীরের পক্ষে, ফিলিস্তিনের পক্ষে। আমরা বিশ্ব মানবতার পক্ষে। আমাদের কাছে ধর্ম-বর্ণের কোন বিভাজন নেই। কারণ আমরা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারী। কারণ আমরা মুসলিম

Next Post Previous Post
1 Comments
  • Imran
    Imran ২৭ মার্চ, ২০২২ ৩:২২ AM

    Chokher Pani dhore rakhte parlam na.����

Add Comment
comment url